Wednesday 19 June 2013
সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ’৭১-কে স্মরণ করিয়ে দেয় Reviewed by Momizat on . ‘১৯৭১ সালে মুক্তযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীনতা বিরোধীরা এদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। বর্তমানের সহিংসতাও সেই ’৭১-র বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দে ‘১৯৭১ সালে মুক্তযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীনতা বিরোধীরা এদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। বর্তমানের সহিংসতাও সেই ’৭১-র বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দে Rating:
আজকের পত্রিকা » সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ’৭১-কে স্মরণ করিয়ে দেয়

সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ’৭১-কে স্মরণ করিয়ে দেয়

‘১৯৭১ সালে মুক্তযুদ্ধ চলাকালে স্বাধীনতা বিরোধীরা এদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। বর্তমানের সহিংসতাও সেই ’৭১-র বিভীষিকাময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। সংখ্যালঘুরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বলেই এখনও স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে ‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সাম্প্রতিক নির্যাতনের প্রতিবাদে’ এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ-এর উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ পালিত।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর রায় ঘোষণার পর চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, আনোয়ারা, কক্সবাজারের পেকুয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া এলাকায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাজশাহী, সিলেট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, দিনাজপুর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, বাগেরহাট, লক্ষীপুর, সাতক্ষীরা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, ভোলা,     ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সুনামগঞ্জ, যশোরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে সারাদেশে প্রায় পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি, তিন শতাধিক মঠ-মন্দির এবং তিন শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, লুট এবং ভাংচুর চালানো হয়েছে। এই অবস্থায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে সরকারের এগিয়ে আসা উচিত। এই সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস প্রতিরোধে রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহবান জানান সংগঠন নেতৃবৃন্দ। এ জন্য সংবাদ সম্মেলনে সরকারের কাছে চার দফা দাবিও জানানো হয়।

দাবিগুলো হল, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, আনসার সমন্বয়ে সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। অবিলম্বে প্রতিটি সাম্প্রদায়িক সহিংসমূলক ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাদের গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনা। সাম্প্রদায়িক সহিংস ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সুর্নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা। ক্ষতিগ্রস্ত মঠ-মন্দিরে তালিকা প্রণয়নপূর্বক তা সংস্কারের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার, অ্যাডভোকেট তপন কান্তি দাশ, কাজল কান্তি দত্ত, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সহ সভাপতি বিমল কান্তি দে, ডা. মনতোষ ধর, শচী নন্দন গোস্বামী, সাংগঠনিক সম্পাদক আশীষ চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক ডা. বিধান মিত্র, আইন বিষয়ক সম্পাদক অরুণ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Scroll to top